
Voices That Shape Us
Poetry, stories, and truths from the soul

Poetry, stories, and truths from the soul
© 2025 Thaahor. All rights reserved.
POETRYYou know,
what's the worst part of the story?
You will never know.
How does it feel to walk with me in the cold November rain
You will never know ! in a boat on the Padma, oar in hand, the night flooded with moonlight , how much of me is Majhi, how much is poet.
You will never know how I would react when you step into my room wearing a black shari and holding a black tea.
You will never know how I would look at you.
You will never know. How does it feel to be kissed on the pulse of your wrist, the bend of your knee,
the quiet altar of your forehead, and so many places
You will never know.
How does it feel to say “I belong to the Plaabon,
and I will never know how it feels to say “I love you”
এই গল্পের সবথেকে দুঃখের ব্যাপার কি, জানো!
তুমি কোনদিন জানবেই না,
নভেম্বরের শীতের রাতে বৃষ্টিতে আমার পাশে হাঁটতে কেমন লাগে,
তুমি জানবে না পূর্ণ জোসনা রাতে পদ্মা নদীতে নৌকায় বইঠা হাতে আমি কতটা মাঝি আর কতটা কবি..
তুমি কোনদিন জানবে না নীল শাড়ি চা হাতে আমার ঘরে আসলে আমি কতটা সম্ভ্রান্ত প্রেমিক, কতটা স্মামি
তুমি কোনদিন জানবে না, তোমার হাতের স্পন্দনে,ঘাড়ে, কপালে আর তোমার শরীরের কত কত জায়গা আমার কবিতার খাতা হয়ে উঠতে কেমন লাগে ।
তুমি কোনদিন জানবে না "আমি প্লাবনের" এ কথা বলতে কেমন লাগে।
আর আমি কোনদিন জানবো না "আমি তোমাকে ভালোবাসি "বলতে কেমন লাগে...
হতাশ
POETRYনদী আমি
বারেবারে তোমার কাছেই ফিরে আসি
আমাকে গ্ৰহণ করো,
আমাকে নিয়ে চলো অবারিত মোহনায়
যেখানে জীবন থেমে থাকে
মিলনের উপকথায়।।
POETRYবিক্রি হয়ে যাই
প্রতিদিন; প্রতি সন্ধ্যায়
বিন্দু বিন্দু জমে ওঠা ঘাম
মুখাবয়বে স্পষ্ট ক্লান্তির ছাপ
পূণ্যতা পায় না
না পায় পবিত্রতার ঘ্রাণ।
যে শহর বৃষ্টিস্নানের পরও
রয়ে যায় ধুলোধূলিময়,
রৌদ্র শিখা ছড়ায় শুধুই উত্তাপ,
অন্ধ গলি, বন্ধ্যা নদী
মিশে যায়; আদিম একতায়
সেই শহরে-
প্রতিদিন, প্রতি সন্ধ্যায়
কেবলই বিক্রি হয়ে যাই।
POETRYহঠাৎ থেমে গেলে আর চলতে ইচ্ছে করেনা,
বলতে ইচ্ছে করেনা কোন কথা।
শব্দের মিছিল থামিয়ে দিয়ে ফের
দিগ্বিদিক শূণ্য, নিস্তব্ধ, অন্ধকার ।
হঠাৎ জমে গেলে আর দেখতে ইচ্ছে করেনা
ডাহুকের করুণ সুর খেই হারানো
পুরাণের কোন গভীর খাদে
তলিয়ে যেতে যেতে
মেঘের মতন ভাসতে ভাসতে
ধুপ করে ভেঙে গেলে খেলাঘর;
আর গড়তে ইচ্ছে করেনা।
ইচ্ছে করেনা অনেক কিছুই
মোমের মতন গলতে থাকা রাত,
ডিপ্রেশনের রোজ কড়া ডোজ,
নিরামিষ মলিন সুখী জীবন,
নিজেকে কিংবা ভুল সময়!
তবুও বাঁচতে হয় -
খানিকটা মায়ায় কিংবা
ভালো থাকার আসক্তিতে হঠাৎ
ভুলে গেলে আর মনে পড়ে না
ফেলে আসা পথ!
POETRYঅপেক্ষা, মরীচিকা ছেয়ে আসা জল,
দীর্ঘশ্বাসে উবে যাওয়া অনুভূতির দল।
ট্রাফিকের লাল বাতি থেকে আরো দূরে
গন্তব্যের ঠিকানা, ঘড়ির কাটা থেমে গেছে
সময়ের বিড়ম্বনায়,
অজানা কোন এক অপূর্ণতায়!
অপেক্ষা জমে থাকা প্রশ্নের স্তুপ
একে একে আওড়ে চলা সমীকরণে
উত্তর থেকে উত্তরণের পথ;
থমকে আছে ঘড়ির কাটা, উত্তর কিংবা উত্তরণ!
এই ভাবতে ভাবতে একটা গান মাইগ্রেন
একটা সুর সুইয়ের মতন ঢুকে
খুঁজতে থাকে যন্ত্রণা
গুনগুন বাতাসের তালে
হতে পারতো এর শেষ, বিলম্বিত
ঘড়ির কাটায় সবশেষে কাংখিত গন্তব্য!
আদতে, শেষ বলে কিছু নেই এখানে
নেই কোন গন্তব্য!
POETRYমৃত্যু এবং আমি,
পাশাপাশি হেঁটে চলেছি ।
মৌন প্রতিযোগীতা চলছে দু’জনেতে
সে এক পা এগোয়, আমি তিন পা;
সে তিন, আমি পাঁচ !
সে হেসে উঠে তাকিয়ে,
আমি চমকে চোখ ফিরাই !
মাঝপথে সে জিরোয়,
আমি চলতে থাকি !
ক্লান্তিতে শরীর বুজে এলে,
মা পরম আদরে কাছে টানে,
মৃত্যু দূর হতে হেসে চলে ।
কান্নাগুলোয় তখন হাসি মেখে-
মায়ের কোলে চোখ লুকাই ।
বাবা পিঠ চাপড়ায়,
সে লুকায়, আমার ভয় হয় ।
অধোমুখে নিঃশ্বাস ফেলি বাবার কাঁধে !
এক চিলতে জীবন খুঁজে ফিরি,
সে সামনে এসে বাঁধ সাধে !
রাস্তা খুঁজি পালাবার,
পিছু তাড়া করে ফের !
অতঃপর,
আমি হেঁটে যাই,
সে আসে সমান্তরালে ।
আমি এক পা বাঁড়াই,
সে তিন পা !
POETRYজ্বর এলে মাথার উপর একটা বলয় ঘুরে ভনভন শব্দে।
এক কিশোরীর রক্তজবার মতন টকটকে লাল চোখ জমে থাকে বলয় ঘিরে!
মাথার উপর দোদুল্যমান সরলদোলকের মতন টিকটক টিকটক শব্দে দোলে সময়; আমি তাকিয়ে রই!
মাথায় বাজছে টিকটক, টিকটক!
হঠাৎ দেখি, আমি দাঁড়িয়ে আছি কন্সট্রাকশন বিল্ডিং এর একদম ছাদে, কেউ এসে ধাক্কা দিল আমায়!
আমি তলিয়ে যাচ্ছি অতল গহবরে, টিকটক টিকটক!
চোখ মেলে তাকাতে তাকাতে আবার চোখ বুজে পড়ে রই বিছানার কোণায়!
জ্বর এলে চোখের কর্ণিয়া তীব্র চিৎকারে আগুন ঝড়ায় মাথার উপর ঘুরতে থাকা বলয়ে!
টিকটক টিকটক!
টিকটক টিকটক!
মাথায় দাঁড়িয়ে আছে শাহবাগের সুশীলতা, দাঁড়িয়ে আছে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের বঞ্চিত বেশ্যার নখের আঁচড়!
টিকটক টিকটক!
টিকটক টিকটক!
বলয়ের উপরে টুপটাপ শব্দে ঝড়ে যাচ্ছে বিদেশী মদের তীব্র হাহাকার!
টিকটক টিকটক!
টিকটক টিকটক!
রাত চলতে থাকে ব্ল্যাকহোলের শিরা- উপশিরার সন্ধিক্ষণে, অনন্তকাল ধরে!
টিকটক টিকটক!
টিকটক টিকটক!
মসজিদের মুয়াজ্জিন গেয়ে উঠে পবিত্র সুর, আমি তাকিয়ে থাকি জানালার কার্ণিশে!
জ্বর এলেই মাথার উপর ভনভন শব্দে একটা বলয় ঘুরে।
সরলদোলক সুর তোলে, টিকটক টিকটক!
POETRYক্যালেন্ডারের পাতায় শীত শেষ । শহরে রূক্ষতাকে কাটিয়ে মলিন তুলোয় রঙিন একটা ভাব এলে বলে! হয়তো এসেও গেছে অগোচরে। চোখের ভিতর এখনো কুয়াশা, বুকে শৈত্য প্রবাহের শির শির হাওয়া, পাঁজরের কাঁপুনি এটোসেটো সোয়েটারে ঢেকে হেঁটে যাচ্ছে নিঃসঙ্গ পথিক; অমাবস্যায় ঠিক দেখা যায়না, টের পাওয়া যায়না কাঁপুনির আর্তনাদ!
অহেতুক ভাবনা ফেলে ফের ভাবা যায় শহরে শীত নেই, এসেছে বসন্ত!
শহরে রঙ নেই তবুও তাকে কে যেন সাজিয়েছে লাল হলুদের আদলে, শহরে সুখ নেই অথচ চারিদিকে সবাই কেমন হাসছে, শহরে প্রাণ নেই অথচ নিজেকেই বড্ড প্রাণহীন লাগে আবার এই শহরে কেউ নেই কোথাও তবুও তাকে কেন এত আপন মনে হয়; অদ্ভুত! কি আশ্চর্য গোলকধাঁধা, সত্য মিথ্যার মায়াজাল!
এভাবে ভাবতে না চাইলে চোখ বন্ধ করে একটা গান শোনা যেতে পারে নইলে অপু’র গলায় রবীন্দ্রনাথ অথবা পুরোনো কোন স্মৃতিচারণ!
সেল থেকে বেরুবার নিয়ম নেই । কতদিন, ঠিক কতদিন বের হইনা মনে পড়েনা; কতদিন আকাশ দেখিনা, গান বাজে না, অপু রবীন্দ্র’ শোনায় না! মাথা ঝিম ঝিম করে , শকের ভোল্টেজ বাড়ছে ক্রমে ক্রমে। এখনও কানে বাজে শিকলের টুংটাং, চোখে কুয়াশা!
এদিকে শহরে শীত শেষ, নেমে এসেছে বসন্ত; রঙিন এক ঝলমলে বসন্ত!
POETRYএকটি ভাঙা চেয়ার,
একটি পিরামিডের মতন দাঁড়িয়ে থাকে।
রাস্তার ধারে মৃত গাছটার মতন।
যতবার সে পথের পানে তাকিয়ে,
দীর্ঘশ্বাস কিনতে চেয়েছে;
ততবার ঠিক ততবার তাকে প্রত্যাখ্যান করেছে সময় !
তাকে ভুলে- এসেছে নতুন কেউ;
প্রাক্তন- সে কেবলই আবর্জনা!
একটি ভাঙা কাঁচ,
ভুলে গেছে তার বিচ্ছেদ,
ভুলে গেছে তার মৃত্যুর যন্ত্রণা।
স্বচ্ছ দেয়াল ঘষতে ঘষতে-
হারিয়ে গেছে ফেলে রাখা পুরোনো জিনিসের ধূলোতে।
সে ময়লা মুছে না কেউ।
প্রয়োজন নেই বলে কেউ একবার খুঁজেও দেখেনা !
একটি ভাঙা কুটির ,
যেখানে রোজ স্বপ্নের আলো ঝড়তো,
আশারা গাইতো নতুন দিনের গান;
সেখানে এখন শ্রাবণ নেমে আসে,
নেমে আসে সিন্ধুর ধীর নীরবতা !
কিংবা,
ভেসে আসে হিমালয়ের শীতল কোন-
রাজকন্যার নীল বিষাদের সুবাস !
তার অদূরে দাঁড়িয়ে থাকে তার অপ্রকাশিত
লাল মলাটের গল্প !
তারাও ঠিক ততটাই দীর্ঘশ্বাস কিনতে চায়,
যার জন্যে একটা ভাঙা চেয়ার,
একটি ভাঙা কাঁচ,
একটি ভাঙা কুটির-
নীরব চোখে অপেক্ষায় থাকে !
আদতে,
এখানে কিছুই স্থায়ী নয় !
সেই ভাঙা চেয়ার, ভাঙা কাঁচ, ভাঙা কুটির, বিষাদময়ী হিমালয় কন্যা !
কিংবা আমি !
POETRYএকটি নির্দিষ্ট বলয়ে যেন আটকে গেছি আমরা।
সীমাবদ্ধ কিছু শব্দের স্বাধীনতা স্বরূপ –
দীর্ঘায়িত হয়না কোন বাক্য;
বাড়ে না কোন অনুভূতির জীবনকাল !
তোতা পাখির বুলিতে নিয়মিত পড়ে যাই শেখানো কালিমা,
গোটা কয়েক শব্দের বেড়াজালে আটকে থাকে জীবন !
প্রতিটি নতুন সকাল যেন মলিন,
পুরনো বুকশেলফটার মতন,
অযত্নে অবহেলায় তারা তিক্ত হয়,
তিক্ততাকে বুকে নিয়েই ঘুমাতে যায় ।
ফের সেই এক নিয়ম; একইভাবে তারা ঘুমায় রোজ !
এপাশটায়,
আমরা যেন এক একটা প্রাণহীন পাপেট !
তার ছড়ানো রঙের কিছুটা মেখে রঙিন হয় চারপাশ,
স্বপ্ন নেমে আসে বলয়জুরে !
তা আর দেখা হয় না;
স্বপ্ন হয়েই হারিয়ে যায় বলয়ে !
আমরা খুঁজি, খুঁজতে গিয়ে পথ হারাই !
বারংবার !
POETRYমানুষ বাঁচে
মানুষ মরে
মানুষে।
মানুষ বাঁচায়
মানুষ মারে
নিমিষে।
এখানেও কাটাতার, প্রশ্নবিদ্ধ দ্বিধায় বিভক্ত ক্রোমোজম অপেক্ষায় থাকে নতুন একসময়ের,নতুন এক ধারার। নতুন দিনের সূর্য উঠবে কবে?
মানুষ ঈশ্বর
কিংবা অসূর
মাকালফল!
মানুষ অজ্ঞ
কিংবা বিজ্ঞ
বেসামাল!
তারপর লোভাতুর চোখ টলে টলে ঢলে পরে পানশালায়, সত্তর হুর অথবা অবাধ সুখের দরজা খুঁজে বেড়ায় মসজিদ, মন্দির, গির্জায়!
মানুষ অন্ধ
মানুষ বোবা
কালা!
মানুষ মাটির
মানুষ মাংসের
পিত্তলা!
এখানেও নেই কোন নির্দিষ্ট সমাধান। দ্বিধান্বিত কতগুলো ছায়া জটের মতন ছুটে চলে এদিক ওদিক; কেউ ভাবে মানুষ,কেউ অসূর আর কেউ মাতাল চোখে তাকিয়ে দেখে দাবি করে ঈশ্বর!বিবাদে বিভেদে ভাগ করে নিজেদের, কেটেকুটে করে জয়োল্লাস!
POETRYজুম্মার বারান্দায় কতগুলা নেহাত শিশু খেলে, দুষ্টামি করে
গরমে পাঙ্খা আর এসি চলে
শীতের বেলায় দরজা-জানলা খোলে
বাতাসে ভাসতে থাকে রাজনীতি-অর্থনীতি কখনও কখনও সংস্কৃতিও
খোদানীতির ঘরে এইসব শুনতে শুনতে
শিক্ষিত মধ্যবিত্ত ফেসবুকে করে স্ক্রল
এদিক ওদিক চায়া আস্তে কইরা মারে লাইক
হঠাত বাতাসে ভাসে "কি, বোঝে আসে?"
মোবাইল খান ঢুইকা যায় পকেটে
বোঝে না আসলেও ফেরার পথে বৌয়ের লেইখা দেয়া লিস্ট
সুড়ুত কইরা কিনা নিয়া বাসায় ঢোকে
বোঝে না আসলেও আবার পরের সপ্তাহে জুম্মাতে যায় মধ্যবিত্ত
ওহ, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত
বোঝে না আসলেও, সে নামাজটা পড়ে
বোঝে না আসলেও, খুতবার সময়টা মোবাইলেই থাকে
বোঝে না আসলেও, নোরা ফাতেহির রিলে চোখ আটকায় যায়
বোঝে না আসলেও, হুজুরে যা যা কয় বিশ্বাস কইরা যায়
বড়ভাইয়ের কথাগুলায় কি জানি আসে, সত্যি সত্যি লাগে
বোঝে না আসলেও, হুজুরে যেহেতু কইসের ঠ্যালায় মাইনা নিবার পারে না
বোঝে না আসলেও, চোখের সামনে যখন একদল মানুষ আরেকটা মানুষরে পোড়ায় মারে
তখন আবার মোবাইলটা হাতে উইঠা আসে
এইবার অবশ্য ফেসবুক স্ক্রল করে না,
ফেসবুকে ঢুইকা লাইভ বোতাম চাপে
অথচ জুম্মার বারান্দায় এখনও একদল নেহাত শিশু নিশ্চিন্তে খেলতাসে, দুষ্টামি করতাসে