
ফজরের আযান
ফজরের আযানের আগে দিয়া
ঘরের ভিতরে যখন থাকি
দুনিয়া জুইড়া কেমন একটা শো শো শব্দ হয়
লাগে জানি সবকিছু অদ্ভুতভাবে ভাইঙ্গা যাইতাছে
নাকি জোড়া লাগতাছে
কেমন একটা খা খা দেশ
তার চাইতে বেশি খা খা তার রাজনীতি
আর উল্লম্ব যতিচিহ্নের মতো উদাম সব কিছু
পাশে বিলকুল নিষ্পাপ খাড়ায়া থাকে এক ফালি কমলার কোয়া
জাতীয়তা নামে
আমার হুইস্কির গ্লাসে টোকা মারে ধর্ম-রাজনীতির আইস
মুহূর্তে তোলপাড় হয়া যায় ক্রেমলিন থেইকা হোয়াইট হাউস
আমি নিরাভরন হয়া যাই দামাস্কাস থেইকা জেরুজালেম পর্যন্ত
ক্রমাগত শ্বাস নিতে থাকে দামেস্কের হুজুরি
বাগদাদের দাম উঠে নিউইয়র্কের স্টক এক্সচেঞ্জে
উপর্যুপরি ব্যালিস্টিক মিসাইল তাক করা থাকে সৌর-গণতন্ত্রের সর্বাঙ্গে
সেই তাক করা মিসাইল এর ঠিক নিচে রাস্তায় পইড়া থাকা ভাত খায় একদল মানুষ নামের নেড়ি কুকুর
তোমাদের এসপ্রেসো যখন ঠান্ডা হয়ে আসতে থাকে তখন অদ্ভুত একটা গোলাপি আকাশে পিংক মুন উঠে জাতিসংঘের সাজানো সাম্যের গানে
আর সেভেন সিস্টার্স থেইকা আওয়াজ উঠে কোন এক অলিখিত যুদ্ধের
এই সব কিছু ঘটতে ঘটতেই এক সময় আমরা মানুষ থেইকা খুব অন্য কিছু না হইলেও নিদেন পক্ষে মানুষ হইয়া উঠতে পারি না
অথচ এই চেষ্টাটাই কতটা ব্যাকুল আর আকুল আছিলো
শুধু দরকার আছিলো একটা এসওএস পাঠানোর
যার ভেতর লেখা থাকার কথা আছিলো
আমরা যুদ্ধ না শান্তি চাই
আমরা মানুষ না মানুষ চাই
আমরা পৃথিবী না পৃথিবী চাই
আর কিছু না হোক আমরা শুধু আমাদের কথাটুকু উদাম বলতে চাই

